Search This Blog
বাংলাদেশের সংবিধান (পর্ব ১): বাংলাদেশ- একটি গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি- এককেন্দ্রীক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন- সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ- শাসন বিভাগ বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ভাগ- ১১টি সংবিধানে অনুচ্ছেদ আছে- ১৫৩টি সংবিধানে ভাগ- ১১টি, অনুচ্ছেদ- ১৫৩টি সংবিধানে তফসিল আছে- ৪টি সংবিধানে মূলনীতি আছে- ৪টি সংবিধানের রূপকার- ড. কামাল হোসেন সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য- ৩৪ জন(প্রধান ছিলেন- ড. কামাল হোসেন) সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু বাংলাদেশের সংবিধান তৈরি করা হয়- ভারত ও বৃটেনের সংবিধানের আলোকে বাংলাদেশের সংবিধান জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন সংবিধান সর্বপ্রথম গণপরিষদে উত্থাপিত হয়- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সংবিধান দিবস- ৪ নভেম্বর হস্তলিখিত লিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংবিধান- ২ প্রকার; লিখিত সংবিধান ও অলিখিত সংবিধান বাংলাদেশের সংবিধান- লিখিত সংবিধান লিখিত সংবিধান নেই- বৃটেন, নিউজিল্যান্ড, স্পেন ও সৌদি আরব বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংবিধান- ভারতের; আর ছোট- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী- ১৪ বছরের নিচের শিশুদের শ্রমে নিয়োগ করা যাবে না সংবিধান সংশোধন মোট সংবিধান সংশোধন- ১৪ বার বাংলাদেশের সংবিধান থেকে ‘সমাজতন্ত্র’ ও ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ বাদ পরে- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশের সংবিধানে আবার ‘সমাজতন্ত্র’ ও ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ সংযোজন হয়- ২০১১ সালে ‘বাঙালি’-র বদলে ‘বাংলাদেশি’ জাতীয়তাবাদ প্রবর্তন করা হয়- ১৯৭৬ সালে সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহিম’ গৃহীত হয়- ১৯৭৭ সালে ইনডেমনিটি বিল/অধ্যাদেশ জারি হয়- ১৯৭৫ সালে ইনডেমনিটি বিল/অধ্যাদেশ বাতিল হয়- ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন পাস হয়- ১৯৯৬ সালে জরুরি অবস্থা জারির বিধান- ২য় সংশোধনী ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করা হয়- ৮ম সংশোধনী সংসদীয় পদ্ধতির সরকার প্রবর্তন করা হয়- ১২শ সংশোধনী সংবিধান সংশোধনের জন্য- ২/৩ ভোটের প্রয়োজন এক নজরে সংশোধনীগুলো : সংশোধনী সাল বিষয়বস্তু প্রথম সংশোধনী ১৯৭৩ যুদ্ধাপরাধী ও গণবিরোধীদের বিচার দ্বিতীয় সংশোধনী ১৯৭৩ জরুরি অবস্থা তৃতীয় সংশোধনী ১৯৭৪ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি; তিনবিঘা করিডোরের বিনিময়ে ভারতের কাছে বেড়ুবাড়ী হস্তান্তর চতুর্থ সংশোধনী ১৯৭৫ বাকশাল (সংসদীয় শাসনপদ্ধতির বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি) পঞ্চম সংশোধনী ১৯৭৯ তৎকালীন অবৈধ সামরিক সরকারের কাজে বৈধতা দান ষষ্ঠ সংশোধনী ১৯৮১ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ঢাকার বাইরে ৬টি জেলায় হাইকোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ Dacca স্থলে Dhaka এবং Bangali স্থলে Bangla বানান প্রচলন সপ্তম সংশোধনী ১৯৮৬ অষ্টম সংশোধনী ১৯৮৮ নবম সংশোধনী ১৯৮৯ দশম সংশোধনী ১৯৯০ একাদশ সংশোধনী ১৯৯১ দ্বাদশ সংশোধনী ১৯৯১ সংসদীয় পদ্ধতির সরকার প্রবর্তন ত্রয়োদশ সংশোধনী ১৯৯৬ তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন চতুর্দশ সংশোধনী ২০০৪ পঞ্চদশ সংশোধনী ২০১১ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপ ’৭২-র সংবিধান পুনর্বহাল (পঞ্চদশ সংশোধনী অংশে বিস্তারিত) পঞ্চদশ সংশোধনী উত্থাপনকারী- ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ (বর্তমান আইন প্রতিমন্ত্রী) সংসদে গৃহীত- ৩০ জুন, ২০১১ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক স্বাক্ষর- ৩ জুলাই, ২০১১ সংশোধনীসমূহ *.৭২-র সংবিধানের চার মূলনীতি পুনর্বহাল (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা) *.তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপ *.রাজনৈতিক সরকারের অধীনে নির্বাচন *.অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি *.রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও বিসমিল্লাহ বহাল, অন্যান্য ধর্মের সমমর্যাদা *.আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস বহাল *.শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন *.জাতির পিতা, ৭ মার্চের ভাষণ, স্বাধীনতার ঘোষণা ও ঘোষণাপত্র যুক্তকরণ *.ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর স্বীকৃতি, পরিবেশ সংরক্ষণ ও সুযোগের সমতা *.সংরক্ষিত নারী আসন বৃদ্ধি (বর্তমানে- ৫০টি; পূর্বে ছিল- ৪৫টি) *.মৌলিক বিধান সংশোধন-অযোগ্য *.জরুরি অবস্থার মেয়াদ নির্দিষ্টকরণ *.দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীরা নির্বাচনে অযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ ধারাসমূহ ধারা বিষয়বস্তু ২.খ রাষ্ট্রধর্ম ৩ রাষ্ট্রভাষা ৬ বাংলাদেশি নাগরিকত্ব ১০ জাতীয় জীবনে মহিলাদের সমান অংশগ্রহণ ১১ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার ১২ বিলুপ্ত (ধর্মনিরপেক্ষতা) (আরেকটা বিলুপ্ত- ৯২ক) ১৭ অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা ২২ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ ২৩ (ক) আদিবাসী/উপজাতি সংক্রান্ত ধারা ২৭ আইনের দৃষ্টিতে সাম্য ২৮(২) নারী ও পুরুষের সমানাধিকার ৩৯(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা ৩৯(২)ক বাকস্বাধীনতা ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা ৩৯(২)খ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ৭৭ ন্যায়পাল নিয়োগ ১৪১ক জরুরি অবস্থা ঘোষণা সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স- ৩৫ বছর সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স- ২৫ বছর সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য ও স্পিকার হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স- ২৫ বছর এক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন- ২ বার/মেয়াদকাল রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেন- স্পিকারের কাছে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেন- রাষ্ট্রপতির কাছে জাতীয় সংসদের/আইনসভার প্রধান/সভাপতি- স্পিকার সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারী- রাষ্ট্রপতি প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিনায়ক/প্রধান- রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহ্বান, ভঙ্গ ও স্থগিত করেন- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন- রাষ্ট্রপতি তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়বদ্ধ- রাষ্ট্রপতির কাছে
বাংলাদেশের সংসদ: জাতীয় সংসদ বাংলাদেশের আইনসভার নাম- জাতীয় সংসদ(House of the Nation) জাতীয় সংসদের প্রতীক-শাপলা বর্তমান আসনসংখ্যা- ৩৫০টি(সংরক্ষিত মহিলা আসন - ৫০টি) সরাসরি ভোটে নির্বাচিত আসন - ৩০০টি জাতীয় সংসদের মেয়াদ-৫বছর সংসদ অধিবেশন আহ্বান, ভঙ্গ ও স্থগিত করতে পারেন- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সভাপতি- স্পিকার প্রথম স্পিকার ছিলেন- মোহাম্মদ উল্ল্যাহ বর্তমান স্পিকার- এডভোকেট আব্দুল হামিদ খান মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন ছিল না- ৪র্থ সংসদে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এ পর্যন্ত- ২ জন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বক্তৃতা দিয়েছেন (যুগোশ্লাভিয়ার মার্শাল টিটো ও ভারতের ভি ভি গিরি) কাস্টিং ভোট- স্পিকারের ভোট অধ্যাদেশ- রাষ্ট্রপতি নিজে যে আইন জারি করেন সরকারি বিল- মন্ত্রীরা যে বিল উত্থাপন করেন বেসরকারি বিল- সংসদ সদস্যরা যে বিল উত্থাপন করেন ফ্লোর ক্রসিং- অন্য দলে যোগদান কিংবা নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দান বাংলাদেশের সরকার- সংসদীয় পদ্ধতির সংসদীয় পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপ্রধান- রাষ্ট্রপতি সংসদীয় পদ্ধতিতে সরকারপ্রধান- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম চলে- রাষ্ট্রপতির নামে জাতীয় সংসদ ভবন অবস্থিত- শেরে বাংলা নগর, ঢাকা ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন- ১৯৬২ ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন- আইয়ুব খান স্থপতি-লুইআইকান লুই আই কান- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক উদ্বোধন করা হয়- ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করেন- বিচারপতি আব্দুস সাত্তার সংসদ ভবনের পাশের লেকটির নাম- ক্রিসেন্ট লেক জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন- ১৯৭৩ সালে প্রথম নির্বাচনে আসনসংখ্যা- ৩১৫টি (সংরক্ষিত মহিলা আসন- ১৫টি) প্রথম সংসদের অধিবেশন বসে- ১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদের স্পিকার- মোহাম্মদ উল্ল্যাহ সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একমাত্র প্রেসিডেন্ট- জিয়াউর রহমান নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৮ সালে আসনসংখ্যা- ৩০০টি (৪৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসন ) (বর্তমানে মোট সংরক্ষিত নারী আসন- ৫০টি; সংবিধান, পঞ্চদশ সংশোধনী অংশ দ্রষ্টব্য) মোট নারী প্রার্থী- ৬০ জন একাধিক আসনে নারী প্রার্থী- ৩ জন (শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া ও রওশন এরশাদ) নবম জাতীয় সংসদ শেখ হাসিনা- ১৩তম (ত্রয়োদশ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন- গোপালগঞ্জ-৩ সংসদ নেতা- শেখ হাসিনা সংসদ উপনেতা- সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী সরকার দলীয় চিফ হুইপ- উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ বিরোধী দলীয় নেতা- খালেদা জিয়া বিরোধী দলীয় উপনেতা- সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ- জয়নাল আবেদীন ফারুক সরাসরি ভোটে নির্বাচিত নারী সদস্য- ১৯ জন নতুন মন্ত্রীসভায় নারী মন্ত্রী- ৬ জন নতুন মন্ত্রীসভায় নতুন মুখ- ৩৮ জন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (দেশের প্রথম মহিলা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী)- অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী (দেশের প্রথম মহিলা পররাষ্ট্রমন্ত্রী)- ডাঃ দীপু মনি সরকারদলীয় হুইপ (দেশের প্রথম মহিলা হুইপ)- সেগুফতা ইয়াসমিন এমিলি স্পিকার- এডভোকেট আব্দুল হামিদ খান ডেপুটি স্পিকার- কর্নেল (অবঃ) শওকত আলী
সাবেক উপনিবেশ দেশ সাবেক উপনিবেশ বাংলাদেশ পাকিস্তান/ বৃটেন ভারত বৃটেন পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা নেপাল মালদ্বীপ ভুটান মায়ানমার আফগানিস্তান মালয়েশিয়া নিউজিল্যান্ড ব্রুনাই ইরাক ইরান বাহরাইন কুয়েত ফিজি কাতার ইসরাইল জর্ডান ওমান টোঙ্গা সৌদি আরব সংযুক্ত আরব আমিরাত ইয়েমেন ফ্রান্স আয়ারল্যান্ড আইসল্যান্ড মাল্টা জিম্বাবুয়ে তাঞ্জানিয়া দক্ষিণ আফ্রিকা নাইজেরিয়া বতসোয়ানা মালাওয়ি/ মালাবি উগান্ডা কেনিয়া গাম্বিয়া ঘানা জাম্বিয়া মরিসাস মিসর সিয়ারা লিওন সোয়াজিল্যান্ড কানাডা মার্কিন যুক্ত্ররাষ্ট্র বাহামা দ্বীপপুঞ্জ বার্বাডোস গ্রানাডা জ্যামাইকা ত্রিনিদাদ ও টোবাগো গায়ানা অস্ট্রেলিয়া নাউরু ট্রুভ্যালু সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ভিয়েতনাম ফ্রান্স লাওস কম্বোডিয়া লেবানন সিরিয়া মোনাকো কঙ্গো টোগো তিউনিসিয়া নাইজার গিনি প্রজাতন্ত্র মরক্কো মৌরিতানিয়া জিবুতি আলজেরিয়া আইভোরি কোস্ট বুরকিনা ফাসো কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ক্যামেরুন গ্যাবন চাঁদ মালি বেনিন মাদাগাস্কার মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র সিচেলিস সুদান দক্ষিণ সুদান সেনেগাল হাইতি উত্তর কোরিয়া রাশিয়া তাজিকিস্তান কিরঘিজিস্তান কাজাকিস্তান তুর্কমেনিস্তান উজবেকিস্তান আজারবাইজান বেলারুশ বসনিয়া হারজেগোভেনিয়া ক্রোয়েশিয়া বুলগেরিয়া পোল্যান্ড ফিনল্যান্ড সাইপ্রাস জর্জিয়া এস্তোনিয়া লাটভিয়া আর্মেনিয়া মলদাভিয়া লিথুনিয়া ইউক্রেন অ্যান্ডোরা স্পেন মেক্সিকো কোস্টারিকা এল সালভেদর গুয়েতেমালা হন্ডুরাস নিকারাগুয়া ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র আর্জেন্টিনা বলিভিয়া চিলি কলম্বিয়া ইকুয়েডর প্যারাগুয়ে পেরু উরুগুয়ে ভেনিজুয়েলা তুরস্ক অটোম্যান রুমানিয়া গ্রিস পর্তুগাল ফিলিপাইন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়া লাইবেরিয়া তাইওয়ান চীন মঙ্গোলিয়া আলবেনিয়া যুগোস্লাভিয়া স্লোভেনিয়া কসোভো সার্বিয়া ইন্দোনেশিয়া নেদারল্যান্ড বেলজিয়াম লুক্সেমবার্গ সুরিনাম অস্ট্রিয়া জার্মানি লিচেনস্টাইন স্যামোয়া স্লোভাকিয়া চেকোশ্লোভাকিয়া চেক রিপাবলিক স্যান মেরিনা ইটালী ভ্যাটিকান লিবিয়া সোমালিয়া নামিবিয়া দক্ষিণ আফ্রিকা লেসোথো অ্যাঙ্গোলা পর্তুগাল গিনি মোজাম্বিক সাও টোমেও এন্ড প্রিন্সিপে ব্রাজিল সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়া বুরুন্ডি বেলজিয়াম পূর্ব তিমুর ইন্দোনেশিয়া/ পর্তুগাল মন্টিনিগ্রো সার্বিয়া নরওয়ে সুইডেন সুইজারল্যান্ড রোমান সাম্রাজ্য পানামা কলম্বিয়া মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ অছি পরিষদ (জাতিসংঘ) পাপুয়া নিউগিনি অস্ট্রেলিয়া
সামরিক অপারেশন: অপারেশন সাল বিবরণ অপারেশন জেরোনিমো ২০১১ (২ মে) ওসামা বিন লাদেনকে হত্যার উদ্দেশ্যে নেভি সিল পরিচালিত কমান্ডো অভিযান অপারেশন অডিসি ডন ২০১১ (১৯ মার্চ) লিবিয়ায় ন্যাটো পরিচালিত অভিযান অপারেশন মারমেইড ডন ২০১১ ন্যাটো বাহিনীর সহায়তায় লিবিয়ার বিদ্রোহীদের অভিযান অপারেশন মুসতারাক ২০১১ আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে তালেবান দমনে ন্যাটোর অপারেশন অপারেশন নিউ ডন ২০১১ মার্কিন বাহিনী কর্তৃক ইরাক বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান অপারেশন রেড ডন সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেফতার করতে মার্কিন বাহিনীর অভিযান অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম ১৯৯১ ইরাকের বিরুদ্ধে পরিচালিত বহুজাতিক বাহিনীর হামলা অপারেশন ডেজার্ট ফক্স ১৯৯৮ ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র ও বৃটেনের (ইঙ্গ-মার্কিন) সামরিক অভিযান অপারেশন ক্যাকটাস ১৯৭৮ মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মামুন আবদুল গাইয়ুমের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রুখতে ভারতের সেনা অভিযান অপারেশন সার্চ লাইট ১৯৭১ (২৫ মার্চ) বাঙালিদের উপর পাকিস্তানিদের বর্বর হামলা অপারেশন ক্লোজডোর ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধের পর অবৈধ অস্ত্র জমা নেয়ার অভিযান অপারেশন এনডিউরিং ফ্রিডম ২০০১ আফগানিস্তানের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ইঙ্গ-মার্কিন হামলা অপারেশন ক্লিন হার্ট ২০০২ বাংলাদেশে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য যৌথবাহিনী পরিচালিত অভিযান
বাংলাদেশের সীমানা: বাংলাদেশের- উত্তরে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশ পূর্বে- ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম প্রদেশ ও মায়ানমার পশ্চিমে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ দক্ষিণে- বঙ্গোপসাগর সীমান্ত আছে- ২টি দেশের সঙ্গে (ভারত ও মায়ানমার) বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতের মোট রাজ্য- ৫টি বাংলাদেশের সীমান্তে অবস্থিত নয়- মণিপুর রাজ্য (টিপাইমুখ বাঁধ) বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩২টি ভারতের সঙ্গে সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি ভারত ও মায়ানমার দু’টি দেশের সঙ্গেই সীমান্ত আছে- রাঙামাটি জেলার মোট সীমান্ত- ৫১৩৮ কিমি (অথবা ৪৭১৯ কিমি) মোট স্থলসীমা- ৪৪২৭ কিমি ভারতের সাথে সীমান্ত- ৪১৪৪ কিমি (অথবা ৩৭১৫ কিমি) মায়ানমারের সাথে সীমান্ত- ২৮৩ কিমি সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য- ৭১১ কিমি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য- ১৫৫ কিমি (পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত) অর্থনৈতিক সমুদ্র সীমা- ২০০ নটিক্যাল মাইল রাজনৈতিক সমুদ্র সীমা- ১২ নটিক্যাল মাইল সীমান্ত থেকে ফারাক্কা বাঁধের দূরত্ব- ১৬.৫ কিমি/ ১১ মাইল ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের ছিটমহল- ৫১টি (পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলায়) বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ছিটমহল- ১১১টি (লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম ও নীলফামারীতে) সবচেয়ে বেশি ছিটমহল- লালমনিরহাটে (৫৯টি) স্বাধীনতার ৩০ বছর পর বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) বিএসএফের কাছ থেকে উদ্ধার করে- সিলেটের পাদুয়া বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৬ মে, ১৯৭৪ (শেখ মুজিব ও ইন্দিরা গান্ধী) সর্ব উত্তরের জেলা- পঞ্চগড় (থানা- তেঁতুলিয়া) সর্ব দক্ষিণের জেলা- কক্সবাজার (থানা- টেকনাফ) সর্ব পশ্চিমের জেলা- চাঁপাই নবাবগঞ্জ (থানা- শিবগঞ্জ) সর্ব পূর্বের জেলা- বান্দরবান (থানা- থানচি) ছিটমহল ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের ছিটমহল- ৫১টি [প্রচলিত তথ্য] বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ছিটমহল- ১১১টি [প্রচলিত তথ্য] ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের ছিটমহল- ৭১টি [তথ্যসূত্র : wikipedia] বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ছিটমহল- ১০২টি [তথ্যসূত্র : wikipedia] বাংলাদেশ-ভারতের মোট কাউন্টার ছিটমহল আছে- ২৮টি [তথ্যসূত্র : wikipedia] বাংলাদেশ-ভারতের মোট কাউন্টার-কাউন্টার ছিটমহল আছে- ১টি [তথ্যসূত্র : wikipedia] বাংলাদেশের ছিটমহল (ভারতে অবস্থিত) ভারতের ছিটমহল (বাংলাদেশে অবস্থিত) কুচবিহার (সর্বোচ্চ) ৪৭টি লালমনিরহাট (সর্বোচ্চ) ৫৯টি জলপাইগুড়ি ৪টি পঞ্চগড় ৩৬টি কুড়িগ্রাম ১২টি নীলফামারী ৪টি (দুইটি জেলায়-ই পশ্চিমবঙ্গে) ৫১টি ১১১টি [প্রচলিত তথ্যের আলোকে ছকটি প্রস্তুত করা হয়েছে ।] মুজিব-ইন্দিরা গান্ধী চুক্তি এবং বেড়ুবাড়ী-তিনবিঘা করিডোর প্রসঙ্গ মুজিব-ইন্দিরা গান্ধী সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৯৭৪ সালে চুক্তি অনুযায়ী- বাংলাদেশ ভারতকে দক্ষিণ বেড়ুবাড়ী ছিটমহল দিয়ে দেবে । বিনিময়ে তিনবিঘা করিডোর পাবে । তিনবিঘা করিডোর বাংলাদেশের সঙ্গে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলের যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা । বাংলাদেশকে ভারতের কাছে দক্ষিণ বেড়ুবাড়ী হস্তান্তর করে- ১৯৭৪ সালে ভারত বাংলাদেশের জন্য তিনবিঘা করিডোর খুলে দেয়- ২৬ জুন, ১৯৯২ (প্রতিদিন ১২ ঘণ্টার জন্য খোলা থাকতো) বেড়ুবাড়ী ছিটমহল- পঞ্চগড় জেলায় ভারত বাংলাদেশের কাছে তিনবিঘা করিডোর লিজ দেয়- ২০১১ সালে ভারত বাংলাদেশকে তিনবিঘা করিডোর লিজ দিলেও দক্ষিণ বেড়ুবাড়ী ভারতের দখলে আছে তিনবিঘা করিডোর বাংলাদেশের জন্য ২৪ ঘণ্টা খুলে দেয়ার জন্য ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়- ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলের মানুষের জন্য তিনবিঘা করিডোর আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (১৯ অক্টোবর ২০১১) স্বাধীনতার ৩০ বছর পর বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) বিএসএফের কাছ থেকে উদ্ধার করে- সিলেটের পাদুয়া
Subscribe to:
Posts (Atom)